1. zekskats4269@inbox.ru : antoniodeaton1 :
  2. asaduldcp72@gmail.com : asadul24 :
  3. semsoock9956@bk.ru : charoletteskippe :
  4. daptarikantho@gmail.com : daptarikantho24 :
  5. troggymn4513@list.ru : juliavalles0 :
  6. asaduldcp@gmail.com : kobir24 kobir24 :
  7. otilia_fairbank32@blowjobvideo.info : otiliafairbank1 :
  8. unsasual6728@inbox.ru : shirleenhobson :
সাংগঠনিক গঠনতন্ত্র - দপ্তরী কন্ঠ
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দক্ষিণ কালাপানিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম। গোয়াইনঘাটে প্রাথমিক দপ্তরী মৃত সোহেলের পরিবারকে ঈদ উপহার বিতরণে বাংলাদেশ দপ্তরী কণ্ঠ ফাউন্ডেশন। গুরুদাসপুরে প্রাথমিক দপ্তরী মরহুম মনিরুল ইসলামের পরিবারকে ঈদ উপহার বিতরণ l মরহুম প্রাথমিক দপ্তরী নজরুলের পরিবারকে ঈদ উপহার। বাংলাদেশ দপ্তরী কণ্ঠ ফাউন্ডেশন। বাংলাদেশ দপ্তরি কন্ঠ ফাউন্ডেশন কর্তৃক ঈদ উপহার বিতরণ। উৎসব ভাতা বন্ধ হাওয়ায় ঈদের কোরবানি থেকে বঞ্চিত অধিকাংশ প্রাথমিক দপ্তরী পরিবার। বোনাস বিহীন কেমন কাটবে আউটসোসিং কর্মচারীদের কোরবানির ঈদ। কালীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সুনামগঞ্জ সদর, সুনামগঞ্জ মুন্সীর হাট আলী আজম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফুলগাজী, ফেনি। পুরনজয় মহাজন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ‍্যালয়। হালছড়ি, খাগড়াছড়ি।

সাংগঠনিক গঠনতন্ত্র

Reporter Name
  • পোষ্ট করা হয়েছে : Sunday, 3 January, 2021
  • ১৩৯ জন দেখেছেন

গঠনতন্ত্র
ধারা- ১ সংগঠনের নাম :.
ধারা- ২ ঠিকানা :
ধারা- ৩ কার্য এলাকা :
এই ।
ধারা- ৪ সংগঠনের প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য : সংগঠনটি একটি অরাজনৈতিক অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসাবে নিয়ন্ত্রন) অধ্যাদেশ মোতাবেক সমাজ উন্নয়ন কাজ করবে। প্রতিষ্ঠানটি সমাজ উন্নয়মূলক ও মানবহিতৈষী কর্মকান্ডের নিগুড় লক্ষ্যে জনগনের সুযোগ সুবিধা বজায় রাখার পাশাপাশি সমাজের পশ্চাৎপদ ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও উন্নয়নসহ বহুমুখী স্বকর্ম সংস্থান মূলক কর্মসূচী গ্রহন করবে । সমাজ উন্নয়নে বৃহত্তর জনগোষ্ঠির ব্যাপক অংশগ্রহনের ভিত্তিতে এলাকার তথা সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করায় প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। (সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমোদনক্রমে)
ধারা- ৫ সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য .
ধারা- ৬ সংগঠনের সদস্য/ সদস্যাদের শ্রেণি বিভাগ :
ক) উপদেষ্টা সদস্য : বিশেষ যোগ্যতা ও বিশেষ বিষয়ে পারদর্শী এবং সুদক্ষ বিশিষ্ট অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিদেরকে সংস্থার উপদেষ্টা সদস্য হিসাবে মনোনীত করা হবে।
খ) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য : যে সব সদস্যগন এই সংস্থা স্থাপনের প্রতিষ্ঠাকালীন স্বাক্ষরদাতা হবেন এবং সংস্থার প্রতিষ্ঠার প্রথম উদ্যোগ গ্রহনকারী সকলেই এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য/ সদস্যা হিসাবে গণ্য হবে। প্রতিষ্ঠাতা সকল সদস্য সংস্থার সাধারন পরিষদের সদস্য বলে অভিহিত হবে।
গ) সাধারণ সদস্য : সাধারণ সদস্য/ সদস্যাদের যোগ্যতা নিম্নে বর্ণিত ৭নং ধারা মোতাবেক নির্ধারিত হবে।

ধারা- ৭ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা :
ক) নূন্যতম ১৮ (আঠার) বছর বয়ষ্ক (ভোটাধিকার)।
খ) উন্নত নৈতিক চরিত্রের অধিকারী হতে হবে (আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত নহে)।
গ) সুস্থ্য মস্তিষ্কের অধিকারী হতে হবে (পাগল ও উম্মাদ নহে)।
ঘ) সংগঠনের আদর্শ ও উদ্দেশ্য এবং গঠনতন্ত্রের প্রতি অনুগত হতে হবে।
ঙ) নির্ধারিত মাসিক চাঁদা ও ভর্তি ফি পরিশোধ করতে হবে।
চ) সংগঠনের অর্পিত দায়িত্ব সক্রিয় ভাবে পালন।
ছ) সমাজকল্যাণ ও মানব সেবায় নিবেদিত।
ধারা- ৮ সদস্য পদ বাতিল :
ক) কোন ব্যক্তি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে এবং তা কার্য্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হলে।
খ) মৃত্যু হলে বা আদালতে নৈতিক অপরাধে অভিযুক্ত হলে।
গ) প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ ও আদর্শের পরিপন্থী কার্যকলাপে লিপ্ত হলে।
ঘ) কোন সদস্য প্রতিষ্ঠানে মাসিক চাঁদা একাধিকক্রমে ৬ মাস প্রদান না করলে।
ঙ) কোন সদস্য বা সদস্যা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করলে ও বেতন গ্রহণ করলে।
চ) গ্রহণযোগ্য কারন ছাড়া পর পর ৩টি কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থিত না থাকলে।
ছ) প্রতিষ্ঠানের কাজে পর পর ৬ (ছয়) মাস নিষ্ক্রিয় ও অকর্মন্য হয়ে পড়লে।
জ) সদস্যের স্বভাব, আচরন, মনোবৃত্ত্বি ও কর্মকান্ড প্রতিষ্ঠানের স্বার্থের পরিপন্থী হলে।
ঝ) পাগল ও উম্মাদ প্রমানিত হলে।
ঞ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হলে।
ট) মস্তিষ্ক বিকৃতি ও নৈতিক স্খলনের কারনে ফৌজদারী আদালত কর্তৃক দন্ডিত হলে।
ঠ) সদস্যের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে।
ড) তহবিল তছরুপ করলে এবং অবৈধ চাঁদাবাজি করলে।
ঢ) গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজ করলে এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে স্বেচ্ছাচারী হলে।
ণ) সংস্থার পক্ষ হয়ে সংস্থার বিষয়ে কোন সদস্য পত্র-পত্রিকায়, সভা-সমিতি, সেমিনারে বিবৃতি প্রদানের পূর্বে কার্য্যনির্বাহী পরিষদের অনুমতি গ্রহন না করলে।
ত) সংস্থার স্বেচ্ছাসেবী, অরাজনৈতিক ও অলাভজনক ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করলে।
থ) সংগঠের নামে কোন সদস্য গঠনতন্ত্র বহির্ভূত ও অবৈধভাবে চাঁদাবাজি ও জনগণের কাছ থেকে ডোনেশন/ অনুদান গ্রহন করলে।
দ) সংগঠনের কার্য এলাকা পরিত্যাগ করলে।
ধ) সংগঠনের মূল্যবান রেকর্ডপত্র স্বেচ্ছাচারীভাবে কুক্ষিগত করে সংস্থার কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে।
ধারা- ৯ সদস্যদের অধিকার :
ক) প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাধারণ সদস্যগণের ভোটাধিকার সংরক্ষিত থাকবে এবং সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত প্রদানের অধিকারও সংরক্ষিত থাকবে।
খ) সাধারণ সদস্যগণ কর্তৃক সাধারন সদস্যগণের মধ্য থেকে কার্য্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন করা হবে।
গ) সংগঠন উন্নয়ন ও সমাজ উন্নয়নে সাধারণ সদস্যগণ মতামত ও সুপারিশ পেশ করবেন বা মতামত প্রকাশ করবেন।
ঘ) সাধারণ সদস্যগণ নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ অনুমোদন করবেন :
১. গঠনতন্ত্র পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংযোজন।
২. বার্ষিক হিসাব প্রতিবেদন।
৩. বার্ষিক হিসাব ও বাজেট।
৪. কার্য্যনির্বাহী পরিষদ গঠন।
৫. ভোটাধিকার প্রয়োগ করা।
ধারা- ১০ সদস্য ভর্তির নিয়মাবলী :
ক) সংগঠন  কর্তৃক নির্ধারিত আবেদন ফরমের মাধ্যমে সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক বরাবর আবেদন করতে হবে।
খ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদ সভায় গৃহিত প্রস্তাব অনুযায়ী সদস্য পদের আবেদন পত্র মঞ্জুর/ খারিজ হবে।
গ) সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক জমাকৃত আবেদন পত্র অনুমোদনের জন্য কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করবেন এবং সাধারণ সভার অনুমোদনক্রমে সদস্য/ সদস্যা খাতায় লিপিবদ্ধ করবেন।
ঘ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সদস্য পদের জন্য আবেদনকারী ব্যক্তির নাম সংস্থার সদস্য হিসেবে গন্য করা হলে ৩ (তিন) দিনের মধ্যে সংশিষ্ট ব্যক্তিকে বিষয়টি অবহিত করতে হবে।
ঙ) আবেদন পত্র গৃহীত হওয়ার পর কোষাধ্যক্ষের নিকট ভর্তি ফিঃ ১০০/- (একশত) টাকা এবং মাসিক ১০০/- (একশত) টাকা চাঁদা পরিশোধ করে সংস্থার সদস্যভূক্ত হতে হবে।
ধারা- ১১ সদস্যপদ স্থগিতকরন :
গঠনতন্ত্রের ধারা- ৮ এর খ, ঙ, জ, ঞ, ট ও ড ব্যতিত ৮ ধারা অন্যান্য কারণে সদস্য পদ বাতিলের ক্ষেত্রে প্রাথমিক ভাবে সদস্য পদ বাতিল না করে নোটিশের মাধ্যমে সতর্ক করা হবে। এতে সংশিষ্ট সদস্য সংশোধিত না হলে সদস্য পদ স্থগিত করা হবে। পরে তাকে কারন দর্শানোর নোটিশ জারী করা হবে। নোটিশের প্রেক্ষিতে সদস্যদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকবে। সংস্থার সদস্যদের প্রাথমিক সদস্য পদ বাতিলের পর সদস্যগনের জবাব সন্তোষজনক প্রমাণিত হলে কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সদস্য পদ পুর্নবহাল করা হবে।
ধারা- ১২ সদস্যপদ নবায়ন/ পুন ভর্তি : কার্য্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে বকেয়া সমুদয় চাঁদা পরিশোধ করলে এবং ভবিষ্যতে গঠনতন্ত্রের প্রতি অনুগত ও গঠনতান্ত্রিক ভাবে অর্পিত দায়িত্ব পালনে অঙ্গিকারবদ্ধ হলে লিখিত আবেদনক্রমে সদস্যপদ নবায়ন/ পুনভর্তি করা যাবে।
ধারা- ১৩ সংগঠন  ব্যবস্থাপনার জন্য সাংগঠনিক কাঠামো হলো তিনটি :
ক) উপদেষ্টা পরিষদ
খ) সাধারণ পরিষদ
গ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদ
সাংগঠনিক কাঠামোর বিবরণ :
ক) উপদেষ্টা পরিষদ : কোন বিশেষ বিষয়ে যোগ্যতা, সুদক্ষ ও পারদর্শী এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদেরকে নিয়ে সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হবে। উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যগণ সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করবেন। সংস্থার কার্য্যনির্বাহী পরিষদ কার্য্যনির্বাহী সভার মাধ্যমে আলোচনার ভিত্তিতে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করতে পারবেন। এই পরিষদের মেয়াদ হবে দুই বছর। প্রয়োজন বোধে কার্য্যনির্বাহী পরিষদ মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙ্গে নতুন উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবে। ক্লাবের গৃহীত উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সমূহ বাস্তবায়নে এ পরিষদ উপদেষ্টা মূলক দায়িত্ব পালন করবেন।
খ) সাধারণ পরিষদ : সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ পরিষদের সকল সদস্য/সদস্যা নিয়ে গঠিত হবে সাধারণ পরিষদ। তবে সাধারণ পরিষদের সদস্য/ সদস্যা সংখ্যার কোন উর্দ্ধসীমা থাকবে না।
গ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদ : সাধারণ পরিষদ ২ বছরের জন্য একটি ১৫ (পনের) সদস্য বিশিষ্ট কার্য্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন করবেন। কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫ (পনের) জন অবশ্যই নিম্নলিখিত কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত হবে।
ধারা- ১৪ কার্য্যনির্বাহী পরিষদের কাঠামো ও পদবিন্যাস :
১। সভাপতি ১ জন
২। সহ-সভাপতি ২ জন
৩। সাধারণ সম্পাদক ১ জন
৪। সহ-সাধারণ সম্পাদক ১ জন
৫। কোষাধ্যক্ষ ১ জন
৬। সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন
৭। সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ১ জন
৮। সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক ১ জন
৯। প্রচার সম্পাদক ১ জন
১০। ক্রীড়া সম্পাদক ১ জন
১১। মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১২। কার্যকরী সদস্য ৩ জন
সর্বমোট = ১৫ জন
ধারা- ১৫ কার্য্যনির্বাহী পরিষদের শূন্য পদ পূরণ : কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগণ তাদের মেয়াদকালের মধ্যে পরিষদের পদ শূন্য হলে নিজেরাই সাধারণ পরিষদের সদস্যগণের মধ্যে থেকে সাধারণ সভার মাধ্যমে কো-অপ্ট করে শূন্য পদ পূরণ করতে পারবেন। নিবন্ধীকরন কর্র্তৃপক্ষের নিকট থেকে কো-অপ্টকৃত সদস্যের অনুমোদন গ্রহন করতে হবে।
ধারা- ১৬ কার্য্যনির্বাহী পরিষদের কার্যাবলী ও দায়িত্ব :
ক) কার্য্যনির্বাহী পরিষদ সংস্থার সকল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।
খ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদ উহার সভায় উক্ত সংস্থার যেকোন সদস্যকে বিশেষ কোন দায়িত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত নিবেন বা দায়িত্ব প্রদান করবেন।
গ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদ সংস্থার বিভিন্ন প্রকার প্রকল্প গ্রহণ, বাস্তবায়ন ও অর্থ সংস্থানের ব্যবস্থা নিবেন।
ঘ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদের কোন সিদ্ধান্ত সংস্থার মোট কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নূন্যতম (দুইতৃতীয়াংশ) অংশের সংখ্যাগরিষ্ট সদস্য কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।
ঙ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদ প্রতিষ্ঠানের তদারকী/ তত্বাবধান, সংগঠনের নিয়ম শৃঙ্খলা সংরক্ষণ, সদস্য আহরণ, বাতিল ইত্যাদি ব্যাপারে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সমাজকল্যাণমূলক কাজের তদারকির দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দিবেন।
চ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদ আইনগতভাবে কোন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল করিতে বা নতুন সদস্য গ্রহণ করতে পারবেন। তবে সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক অনুমোদন করবেন।
ছ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদ সকল প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করবেন ও সংস্থার সকল প্রকার কার্যাবলী সম্মন্ধে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ব্যাপারে পূর্ন ক্ষমতার অধিকারী হবে।
জ) সংস্থার বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন পূর্বক উহা বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করবে।
ঝ) সংগঠনের তথা এলাকার স্বার্থে এবং শান্তি শৃঙ্খলার ব্যাপারে যে কোন আইনগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। তবে উহা সাধারণ সভায় অনুমোদিত হতে হবে।
ঞ) যে কোন কার্য সম্পাদনের জন্য কার্য্যনির্বাহী পরিষদ বিভিন্ন উপ-কমিটি/ সাব-কমিটি গঠণ করতে পারবে।
ট) নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ করা।
ধারা- ১৭ সংগঠনের কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগণের দায়িত্ব/ কর্তব্য :
১। সভাপতি :
ক) কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সভা, বার্ষিক সাধারণ সভা বা বিশেষ সাধারণ সভা বা অন্য যে কোন সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং সাধারণ সম্পাদককে সভা আহ্বানের পরামর্শ প্রদান করবেন।
খ) তিনি প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের সভা আহ্বান করবেন।
গ) তিনি প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা ও পরিচালনার নিয়মাবলী নির্ধারন করবেন।
ঘ) প্রতিষ্ঠানের নিয়োগকৃত কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবীদের অর্পিত কাজে উৎসাহ, সহযোগিতা ও পরার্মশ প্রদান করবেন।
ঙ) তিনি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অন্য যে কোন প্রতিষ্ঠানের চুক্তিপত্রে স্বাক্ষরদাতা হবেন।
চ) তিনি সকল বিভাগীয় কর্মকর্তাদের কাজে তদারকি, পরামর্শ ও উৎসাহ প্রদান করবেন এবং যে কোন সভা/ সিম্পোজিয়াম/ সেমিনারে সংস্থার পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করবেন। তিনি সংস্থার পক্ষে যে কোন অথিতিকে অভ্যর্থনা ও সাক্ষাৎকার প্রদান করবেন।
ছ) তিনি সংস্থার কার্য বিবরণী অনুমোদন করবেন।
জ) তিনি সংস্থার সকল ব্যয় ভাউচার অনুমোদন করবেন।
ঝ) সকল কার্যাবলী তদারক ও পরামর্শ প্রদান করবেন।
ঞ) প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে সর্বদা তৎপর থাকবেন।
ট) কোন কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে তার কাজ পরিচালনার জন্য তিনি কার্য্যনির্বাহী পরিষদের অন্য কোন সদস্যকে মনোনয়ন দিতে পারেন।
২। সহ-সভাপতি :
ক) তিনি সভাপতির সকল কাজের সহযোগিতা করবেন।
খ) তিনি সভাপতির অবর্তমানে তার দায়িত্ব পালন করবেন।
গ) তিনি নির্বাহী পরিষদের অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন।
৩। সাধারণ সম্পাদক :
ক) তিনি সংস্থার স্থাবর/ অস্থাবর সম্পদের হিসাব সংরক্ষন করবেন এবং কার্য্যনির্বাহী পরিষদের ও সর্ব প্রকার সাধারণ সভার কার্যবিবরনী সংরক্ষণ করবেন।
খ) সংগঠনের বার্ষিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন তৈরি করা এবং কার্য্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে তা সাধারণ সভায় পেশ করা, প্রচার করা এবং সংস্থার অন্যান্য কার্যক্রম জনসমক্ষে তুলে ধরা।
গ) সংগঠনের সদস্যগণের তালিকা সংরক্ষণ করা এবং সংগঠনের কার্যক্রম সম্বন্ধে তাহাদিগকে অবহিত করবেন।
ঘ) সহযোগী ও সহকর্মীদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করা/ ব্যবস্থা করা ও সংগঠনের নথিপত্র সংরক্ষণ করা এবং সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ঙ) সভাপতির পরার্মশক্রমে সংস্থার সকল সভা আহবান ও সভা লিপিবদ্ধ করবেন এবং সভার দিন তারিখ নির্ধারন করবেন।
চ) তিনি সংস্থার স্থাবর/ অস্থাবর সম্পদের জন্য ষ্টকবুক সংরক্ষণ করবেন।
ছ) বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও কার্যক্রমের বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করবেন।
৪। সহ-সাধারণ সম্পাদক :
ক) তিনি সাধারণ সম্পাদকের সকল কাজের সহযোগিতা করবেন।
খ) তিনি সাধারণ সম্পাদকের অবর্তমানে তার দায়িত্ব পালন করবেন।
গ) তিনি নির্বাহী পরিষদের অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন।
৫। কোষাধ্যক্ষ :
ক) তিনি প্রতিষ্ঠানের সকল প্রকার অর্থ, চাঁদা ও সকল প্রকার দান, অনুদান রশিদ বহির মাধ্যমে গ্রহন করবেন।
খ) তিনি প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় অর্থ বিষয়ে হিসাব-নিকাশ রেকর্ডমূুলে সংরক্ষন করবেন।
গ) তিনি সংগঠনের বার্ষিক বাজেট প্রণয়নে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সকল প্রকার সহয়তা করবেন।
ঘ) তিনি বার্ষিক সাধারন সভায় বার্ষিক খরচের হিসাব উপস্থাপনে এবং বাজেট প্রণয়নে ও বার্ষিক বাজেট অনুমোদনের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদকে সার্বিক সহযোগিতা করার দায়িত্ব পালন করবেন।
ঙ) তিনি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে ব্যাংক ও অর্থ লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রতিষ্ঠানের অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে সর্বদা যোগাযোগ বজায় রাখবেন।
চ) প্রাপ্ত টাকা সংস্থার সংশ্লিষ্ট হিসাব নম্বরে জমা প্রদান করে জমার বিষয়টি সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদককে অবহিত করবেন।
৬। সাংগঠনিক সম্পাদক :
ক) তিনি সংস্থার সাংগঠনিক বিষয়ক দায়িত্ব পালন করবেন।
খ) তিনি নির্বাহী পরিষদের অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন।
গ) সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কাজে সহযোগিতা করবেন।
ঘ) নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থিত থেকে মতামত ব্যক্ত করবেন।
৭। সমাজকল্যাণ সম্পাদক :
ক) তিনি সংস্থার সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের দায়িত্ব পালন করবেন।
খ) তিনি নির্বাহী পরিষদের অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন।
গ) সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কাজে সহযোগিতা করবেন।
ঘ) নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থিত থেকে মতামত ব্যক্ত করবেন।
৮। সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক :
ক) তিনি সংস্থার সকল প্রকার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের দায়িত্ব পালন করবেন।
খ) তিনি নির্বাহী পরিষদের অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন।
গ) সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কাজে সহযোগিতা করবেন।
ঘ) নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থিত থেকে মতামত ব্যক্ত করবেন।
৯। ক্রীড়া সম্পাদক :
ক) তিনি সংস্থার সকল ক্রীড়া কর্মকান্ডের আয়োজন ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।
খ) তিনি নির্বাহী পরিষদের অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন।
গ) সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কাজে সহযোগিতা করবেন।
ঘ) নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থিত থেকে মতামত ব্যক্ত করবেন।
১০। প্রচার সম্পাদক :
ক) তিনি সংস্থার প্রচার বিষয়ক দায়িত্ব পালন করবেন।
খ) তিনি নির্বাহী পরিষদের অর্পিত দায়িত্ব সম্পাদন করবেন।
গ) সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কাজে সহযোগিতা করবেন।
ঘ) নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থিত থেকে মতামত ব্যক্ত করবেন।
১১। কার্যকরী সদস্য :
কার্যকরী সদস্যবৃন্দ কার্য্যনির্বাহী পরিষদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন সদস্য। সভাপতি ও সহ-সভাপতিদ্বয়ের অনুপস্থিতিতে কার্যকরী সদস্যদের ক্রমানুসারে জ্যৈষ্টতম সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করবেন ও অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
ধারা- ১৮ সাধারণ পরিষদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব :
ক) সংস্থার স্বার্থে সাধারণ পরিষদ যে কোন বৈধ সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং গৃহীত সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলে গন্য হবে। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসহ সাধারণ সদস্য কর্তৃক কার্য্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে।
খ) এই সংস্থার নিবন্ধিকরনের ১৮ (আঠার) মাসের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
গ) সংস্থার সাধারন পরিষদ কর্তৃক নিযুক্ত বা মনোনীত কর্মী পর্যবেক্ষক হিসেবে কার্য্যনির্বাহী পরিষদের বা অন্যান্য সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন, কিন্তু তাদের কোন ভোটাধিকার থাকবে না।
ঘ) গত সাধারণ সভার কার্যবিবরনী পাঠ ও অনুমোদন করা।
ঙ) সর্বপ্রকার রিপোর্ট পেশ ও আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহন।
চ) উপবিধি সংশোধন (যদি থাকে)
ছ) মূলতবী প্রস্তাব/ বিবিধ।
জ) সংগঠনের যে কোন গুরুত্বপূর্ন বিষয়ে কার্য্যনির্বাহী পরিষদকে সাধারণ পরিষদের মতামত গ্রহণ করতে হবে।
ঝ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচনে সাধারন পরিষদ দায়িত্ব পালন করিবেন।
ধারা- ১৯ বিভিন্ন প্রকার সভা ও সভার নিয়মাবলী :
ক) সাধারণ সভা।
খ) কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সভা।
গ) জরুরী সভা।
ঘ) বিশেষ সাধারণ সভা।
ঙ) মূলতবী সভা।
চ) তলবী সভা।
সাধারণ সভা :
কমপক্ষে বছরে একবার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং উহা বার্ষিক সাধারণ সভা রূপে গন্য হবে। তবে বিশেষ জরুরী প্রয়োজনে বিশেষ সাধারণ সভাও আহবান করা যাবে। সাধারণ সভায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমোদন লাভ করবে। সাধারণ সভা ১৫ (পনের) দিনের নোটিশে সময়, তারিখ ও স্থান উল্লেখ করে আহবান করা হবে।
১। প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক প্রতিবেদন।
২। বার্ষিক বাজেট ও হিসাব।
৩। বার্ষিক সাধারন সভায় সংস্থার আয় ব্যয়ের অভ্যন্তরীণ অডিটের জন্য অডিটর মনোনয়ন করা।
৪। সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ধারা, উপ-ধারা পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা সংযোজন।
৫। সভার সিদ্ধান্ত মোট সদস্যের নূন্যতম অংশের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ন হবে। কোরাম পূর্ন সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের প্রস্তাব সভার সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হবে।
কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সভা :
১। বৎসরে কমপক্ষে কার্য্যনির্বাহী পরিষদের ১২টি সভা অনুষ্ঠিত হবে।
২। নূন্যতম ৩ দিন পূর্বে সময়, তারিখ ও স্থান উল্লেখপূর্বক সভার নোটিশ জারী করিতে হবে। নূন্যতম অংশ কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ন হবে। কোরাম পূর্ন সভার সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের প্রস্তাব সভার সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হবে।
জরুরী সভা :
জরুরী সভা ৩ (তিন) দিনের নোটিশে সময়, তারিখ ও স্থান উল্লেখ করে আহবান করা যাবে। মোট সদস্যদের নূন্যতম (দুই তৃতীয়াংশে) এর উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ন হবে। কোরাম পূর্ন সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের প্রস্তাব সভার সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হবে।
বিশেষ সাধারণ সভা :
যে কোন বিশেষ কারণে সাধারণ সভা ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে নোটিশে আহবান করা যাবে। তবে এ সভায় বিশেষ এজেন্ডা ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। বিশেষ এজেন্ডার উদ্দেশ্য লিপিবদ্ধ করে যথারীতি নোটিশ প্রদান করতে হবে। মোট সদস্যের নূন্যতম (দুই তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিতে কোরাম পূর্ন হবে। কোরাম পূর্ন সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের প্রস্তাব সভার সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হবে।
মূলতবী সভা :
১। কোরামের অভাবে মূলতবী সাধারণ সভা মূলতবীর তারিখ থেকে পরবর্তী ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। মূলতবী সভার তারিখ হতে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে নোটিশ জারী করতে হবে। অনুষ্ঠিত সভার গৃহীত সিদ্ধান্ত মোট সাধারণ পরিষদ সদস্যদের নূন্যতম (দুই তৃতীয়াংশ) এর সিদ্ধান্তক্রমে চূড়ান্ত বলে গন্য হবে।
২। কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সভা ৩ (তিন) দিনের নোটিশে কোরামের অভাবে মূলতবী হলে দ্বিতীয়বার ৩ (তিন) দিনের নোটিশে অনুষ্টিত সভার কোরাম পূর্ণ না হলেও যত জন সদস্য উপস্থিত থাকবেন তাদের নিয়েই মূলতবী সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং সভার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গন্য হবে।
তলবী সভা :
১। গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক সংস্থার সভা আহবান না করলে কমপক্ষে মোট সদস্যদের নূন্যতম (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্য- একজন আহবায়ক মনোনীত করে বিশেষ সাধারণ সভার কর্মসূচীর এজেন্ডা বা উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে স্বাক্ষর দান করতঃ তলবী সভার আবেদন সংস্থার সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদকের কাছে জমা দিতে পারবেন।
২। সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক তলবী সভার আবেদন প্রাপ্তির ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে তলবী সভার আহবান করবেন। তলবী সভার আবেদন প্রাপ্তির ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক তলবী সভা আহবান না করলে ২১ (একুশ) দিনের মেয়াদ উর্ত্তীনের তারিখ হতে পরবর্তী ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে ১৫ (পনের) দিনের নোটিশে সাধারন সদস্যগন আহবায়কের নের্তৃত্বে তলবী সভা আহবান করতে পারবেন। মোট সদস্যের (দুই তৃতীয়াংশ) এর উপস্থিেিততে কোরাম পূর্ন হবে। কোরাম পূর্ন সভার সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের প্রস্তাব সভার সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হবে। তলবী সভা সংস্থার কার্যালয়ে আহবান করতে হবে।
ধারা- ২০ তহবিল সংগ্রহ :
নিম্নলিখিত ভাবে সংস্থার তহবিল সংগ্রহ করিতে পারবেন :
ক) ভর্তি ফি।
খ) সদস্য চাঁদা।
গ) এককালীন সদস্য চাঁদা।
ঘ) এককালীন অনুদান ও কোন প্রকল্প হইতে আয় এবং ব্যাংক, সংস্থা, ফাউন্ডেশন ও অর্থ লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে তহবিল গঠন।
ঙ) কোন বিশেষ ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠানের অনুদান।
চ) সরকারী অনুদান।
ছ) সরকারের বিশেষ প্রকল্প অনুদান/ ঋণগ্রহণ।
জ) যে কোন কাজে বিদেশী দান, অনুদান এবং বিদেশী এম্বেসীর দান, অনুদান ইত্যাদি।
ধারা- ২১ আর্থিক ব্যবস্থাপনা :
ক) সংস্থার আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এলাকাস্থ বা দেশের যে কোন সিডিউল ব্যাংকে সংস্থার নামে একটি সঞ্চয়ী/ চলতি হিসাব খুলতে হবে।
খ) উক্ত সঞ্চয়ী/ চলতি হিসাব নম্বর সংস্থার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষ এই তিন জনের মধ্যে যে কোন ২ জনের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হবে।
গ) সংস্থার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে কোষাধ্যক্ষ চলমান খরচ নির্বাহের জন্য ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা হস্তমজুদ রাখতে পারবেন। হস্তমজুদের টাকা খরচের পর তা পরবর্তী কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদন গ্রহন করতে হবে।
ঘ) আর্থিক বছর শেষে তহবিলের অর্থ বা জমাকৃত তহবিলের অর্থ সদস্যদের মধ্যে বন্টন করা যাবে না। শুধুমাত্র সংস্থার আদর্শ ও উদ্দেশ্য অর্জনে এবং কর্মসূচী বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কল্যাণমুখী, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অসহায়দের কাজে খরচ করা যাবে।
ঙ) সংস্থার প্রয়োজনীয় অর্থ খরচের পূর্বে উত্তোলনের জন্য কার্য্যনির্বাহী পরিষদের সভায় অনুমোদন গ্রহন করা হবে।
চ) সংস্থার নামে সংগৃহিত অর্থ কোন অবস্থাতে হাতে রাখা যাবে না। সংগৃহিত অর্থ প্রাপ্তির পর যথাশীঘ্র সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিয়ে জমার রশিদ সংগ্রহ করা হবে।
ছ) সকল ব্যাংক লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং নীতিমালা অনুসরন করা হবে।
ধারা- ২২ নির্বাচন পদ্ধতি :
ক) কার্য্যনির্বাহী পরিষদ : সাধারণ সদস্যবৃন্দের প্রস্তাবনা, সমর্থন ও গোপন ব্যালটের মাধ্যমে কার্য্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচিত হবে। কার্য্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করে ১ (এক) মাসের মধ্যে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে অনুমোদন গ্রহন করতে হবে। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের পরেই নির্বাচিত কমিটি চূড়ান্ত বৈধতা লাভ করবে।
খ) মেয়াদ : নির্বাচিত বা মনোনীত হওয়ার দিন হতে পরবর্তী দুই বছর মেয়াদ পর্যন্ত কার্য্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদকাল বলবৎ থাকবে।
ধারা- ২৩ নির্বাচন কমিশন
সংস্থার নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন না বা সংস্থার সদস্য নন এমন ৩ (তিন) জন বিশিষ্ট ব্যক্তির সমন্বয়ে ১ জন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও ২ জনকে সদস্য করে কার্যকরি পরিষদ কর্তৃক ৩ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। প্রয়োজনে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে। নির্বাচনের পর নির্বাচন কমিশন বিলুপ্ত হবে।
ধারা- ২৪ ভোটের প্রনালী :
এক ব্যক্তি একটি পদে একটি করে ভোট প্রদান করবেন এবং কোন প্রতিনিধির মাধ্যমে ভোট দেওয়া যাবে না। নির্বাচনের ৩০ (ত্রিশ) দিন পূর্বে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করবেন। নির্বাচন বিষয়ে কমিশন কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
ধারা- ২৫ বৈদেশিক সাহায্য/ অনুদান বিষয়ক :
সংস্থাটির বৈদেশিক সাহায্য/ অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে ১৯৭৮ সালের ফরেন ডোনেসন অধ্যাদেশের বিধি বিধান প্রতিফন করবে। বৈদেশিক সাহায্য/ অনুদান গ্রহণের পর সংস্থাটি সরকারের যে কোন একটি সিডিউল ব্যাংকে একটি মাত্র হিসাব পরিচালনা করবে।
ধারা- ২৬ ঋণ পরিশোধ :
সংস্থা কর্তৃক বিভিন্ন ব্যাংক, অর্থলগ্নি প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য উৎস থেকে গ্রহনকৃত ঋণ পরিশোধ এর দায়দায়িত্ব সংস্থার নির্বাহী পরিষদ বহন করবে।
ধারা- ২৭ অডিট :
ক) প্রতি ১ বৎসর পর পর সংস্থার সকল আয় ও ব্যয় সমাজসেবা অফিসার অথবা সরকার অনুমোদিত কোন অডিট ফার্ম দ্বারা অডিট করতে হইবে। বার্ষিক অডিট প্রতিবেদন নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করা হবে।
খ) সংস্থার আয় ব্যয় নিরীক্ষার জন্য একটি অভ্যান্তরীন নিরীক্ষা কমিটি গঠন করা হবে। সংস্থার কার্য্যনির্বাহী পরিষদ সাধারণ সদস্যদের মধ্যে থেকে ৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট নিরীক্ষা কমিটি গঠন করবে। প্রতি আর্থিক বছরে অভ্যান্তরীন নিরীক্ষা কমিটি সংস্থার আয় ব্যয় নিরীক্ষা করবে। প্রয়োজনে কার্য্যনির্বাহী পরিষদ অভ্যান্তরীন নিরীক্ষা কমিটির সদস্য রদবদল করতে পারবে।
ধারা- ২৮ লোক/ জনবল নিয়োগ :
সংস্থার কর্মসূচী ও প্রকল্প বাস্তবায়নকল্পে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের জন্য কার্য্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক ৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট একটি নিয়োগ বোর্ড গঠন করা হবে। লোক নিয়োগের পূর্বে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারী করা হবে। লোক নিয়োগের জন্য চাকুরী প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হবে। নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে লোক/ জনবল নিয়োগ করা হবে। লোক নিয়োগে কোন ব্যাংক ড্রাফট্ ও জামানত গ্রহণ করা হবে না।
ধারা- ২৯ গঠনতন্ত্রের সংশোধন :
গঠনতন্ত্রের কোন ধারা সংশোধন, সংযোজন ও পরিবর্তন, পরিবর্ধন করতে হলে সাধারণ সভায় মোট সদস্যের নূন্যতম (দুই তৃতীয়াংশ) সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে/ সমর্থনের মাধ্যমে তা গৃহীত হবে এবং নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে তা কার্যকর হবে।
ধারা- ৩০ তহবিল বৃদ্ধি :
সংস্থার তহবিল বৃদ্ধিকল্পে যে কোন বিশেষ প্রকল্প/ কর্মসূচী/ অনুষ্ঠান গ্রহন করা হলে সেক্ষেত্রে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি গ্রহন করা হবে। গৃহীত প্রকল্প/ কর্মসূচী অনুষ্ঠান শেষে আয়-ব্যয়ের পূর্ন হিসাব বিবরনী নিবন্ধীকরণ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করা হবে।
ধারা- ৩১ বিধি ও আইনের প্রাধান্য :
অত্র গঠনতন্ত্রের যা-কিছু উল্লেখ থাকুক না কেন উক্ত সংস্থাটি ১৯৬১ সনের ৪৬নং অধ্যাদেশের আওতায় এবং দেশের প্রচলিত আইনানুযায়ী ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমোদনক্রমে সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
ধারা- ৩২ সংস্থার বিলুপ্তি :
যদি কোন অনিবার্য কারণে সংস্থার বিলুপ্তির প্রশ্ন ওঠে তবে সংস্থার সকল দায়দেনা কার্য্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক পরিশোধ করে মোট সদস্যের নূন্যপক্ষে (তিন পঞ্চামাংশ) সাধারণ সদস্যের সিদ্ধান্তক্রমে নিবন্ধীকরণ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published.

ব্রেকিং নিউজ