প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে দপ্তরী কাম প্রহরীদের চাকরি জাতীয়করণ অত্যন্ত জরুরী।

দপ্তরী কাম প্রহরী সমিতির গাইবান্ধা জেলা সভাপতি মাকসুদুর রহমান রহমান (মিথুন) বলেন সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেও বারবার চাকরি জাতীয়করণের আন্দোলন করলেও আমাদের দাবি পূরণ হচ্ছে না আমরা আজ অবহেলিত বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে বিভিন্নভাবে কথা হয়েছে ও দাবি-দাওয়া লিখিতভাবে জমা দেওয়া হয়েছে। তেনারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছিলেন ? কিন্তু তারা তো দাবি অনুযায়ী কোন কাজ করছেন না।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছি আমরা। স্কুল চলাকালীন দপ্তরি এবং স্কুলসময় শেষে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রহরীর কাজও করতে হয় আমাদের। করোনার সময়েও স্কুল পাহারা দিতে হচ্ছে। নিরাপত্তাহীনভাবে ২৪ ঘণ্টা স্কুলে থাকতে হয়।

বিভিন্ন সময় জেলা-উপজেলার আমাদের অনেক সহকর্মী মৃত্যুবরণ করলেও আমরা কোন সহকর্মীর জন্য কোন সরকারি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও কোনো সুযোগ-সুবিধা পাই না পরিবারগুলরো একমাত্র উপার্জিত ব্যক্তিকে হারিয়ে পরিবারগুলো পথে বসে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৭ হাজার দপ্তরি-কাম-প্রহরী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সরকারি বিদ্যালয়ে চাকরি করেও তারা ন্যায্য বেতনভাতা পাচ্ছেন না। তাদের অমানবিকভাবে দিনে দাপ্তরিক কাজ ও রাতে প্রহরার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে এ পদে নিয়োগের পর থেকে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। তাই, দপ্তরি কাম প্রহরী পদটি রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করার দাবি জানাচ্ছি।

4 thoughts on “প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে দপ্তরী কাম প্রহরীদের চাকরি জাতীয়করণ অত্যন্ত জরুরী।

  1. আমাদের বিষয় গুলো সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন, আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সুদূষটি একান্তভাবে কামনা করছি। সহকর্মী নওগাঁ সদর।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

ব্রেকিং নিউজ